কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ এ ১০:১৯ PM

সদ্যপুস্কুরিনী দিঘী

কন্টেন্ট: পর্যটন স্পট

<p><strong>রংপুর থেকে :</strong> জেলার সদর উপজেলার একটি পুকুরের নাম ‘সদ্যপুষ্করিণী’।<br><br>রংপুর মহানগরী থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে ৯ নম্বর সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়ন। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ কোনে সদ্যপুষ্করিণী।<br><br>কথিত আছে তড়িঘড়ি করে এক রাতে খোড়া হয়েছে বলে এর নামকরণ করা হয়েছে ‘সদ্যপুষ্করিণী’।<br>&nbsp;<br>বিশাল পুকুরের স্বচ্ছ জল এবং গাছগাছালি ঘেরা পুকুরপাড়ের শীতল বাতাস সহজেই শরীর জুড়িয়ে দেয়। এই পুকুরের নামে ইউনিয়ন পরিষদেরও নামকরণ করা হয়েছে সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়ন।<br>&nbsp;<br>রংপুরের বাসিন্দা যারা পেশাগত কারণে বাইরে থাকেন, ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে তারা সহজেই ঘুরে আসতে পারেন ইতিহাসের সাক্ষী সদ্যপুষ্করিণী থেকে। এছাড়া রংপুরে বাইরে থেকেও আসতে পারেন এ পুষ্করিণীর পাড়ে। কাছেই দেখতে পাবেন চৌদ্দ ভবন এবং বড়ভিটার বিশালাকৃতির বটগাছ। যা সহজেই আপন করে নেবে আপনাকে।<br>&nbsp;<br>এছাড়াও সদ্যপুষ্করিণীর পাশেই রয়েছে বেহুলা-লক্ষ্ণিনদরের কাহিনীর উপজীব্য ‘চৌদ্দ ভুবন’ ও ‘জীবন-মরণ ঘাট’।<br>&nbsp;<br>&nbsp;রংপুর জেলা প্রশাসন (ডিসি) অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, প্রায়&nbsp; ৬শ’&nbsp; বছর পূর্বে&nbsp; এখতিয়ার&nbsp; উদ্দীন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী’র শাসনামলে সৈন্য বাহিনী এই এলাকার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের&nbsp; পানির সমস্যা দেখা দেয়।<br><br>এ সময়&nbsp; কয়েক লক্ষাধিক সেনাসদস্য এখানে তাবু খ‍াটিয়ে&nbsp;&nbsp; অবস্থান গ্রহণ করেন। পরে তারা পানির সমস্যা সমাধানের জন্য এখানে একটি পুকুর খনন করেন। তখন থেকে ওই পুকুরের নাম সদ্যপুস্করিণী হিসাবে প্রসিদ্ধ।<br>&nbsp;<br>পর্ব পুরুষদের বর্ণনা মতে- বিপুল সংখ্যক সৈন্যের পানির প্রয়োজন পড়লে পানি সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে সেনাপতি সিদ্ধান্ত নেন একটি পুকুর খননের। যেই কথা- সেই কাজ। সৈন্যরা লেগে পড়েন পুকুর খননে। আর এভাবেই এই বিশাল পুকুরের সৃষ্টি।<br>&nbsp;<br>রংপুর বাস টার্মিনাল বা রেল স্টেশন থেকে রিক্সা, ভ্যান, অটোরিক্সায় করে পাকা সড়ক ধরে দর্শনা-ফতেপুর ঘাঘট নদী পেরিয়ে পালিচড়া হাটে ইউনিয়ন পরিষদ। এরপর মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে কুন্ডি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পূর্ব পাশ দিয়ে সদ্যপুষ্করিণী।<br>&nbsp;<br>এই পুকুরটি কখনও শুকিরে যায় না। ইজারার মাধ্যমে প্রতি বছর এখানে মাছ ছাড়া হয়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে টিকিটের মাধ্যমে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করে উৎসাহীরা।</p>
ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন